
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, একসময় এদেশকে মিসকিনের দেশ বলা হতো। এদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে কটাক্ষ করা হতো।বর্তমানে জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশ হলো এখন সারা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রুল মডেল।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট,পদ্মা সেতু,কর্নফুলি নদীর নীচ দিয়ে কর্নফুলি ট্যানেল, রূপপুরে পারমানবিক চুল্লিসহ এরকম শত শত উন্নয়ন কর্মকান্ড করে সারা বিশ্বের কাছে শেখ হাসিনা প্রশংসিত। এসব দেখে বিএনপির সহ্য হচ্ছে না । শেখ হাসিনা জেলে বসেই বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করেছিলেন। বিএনপি-জামাতের দেশ পরিচালনার কোনো পরিকল্পনা ছিলো না। তাদের ছিল লুটপাট ও আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা। তাদের জ্বালাও পোড়াও রাজনীতিকে মন্ত্রী ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করে আগামী নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করতে সকল নেতৃবৃন্দকে কাজ করার আহবান জানান।
উপজেলা আওয়ামী লীগ সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র গোলাম হাক্কানীর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট রাশেদুল কাওসার ভ’ইয়া জীবন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন ভ’ইয়া বকুল, সাবেক পৌর মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল, জেলা পরিষদ সদস্য আবদুল আজিজ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন, কসবা পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান ছাইদুর রহমান মানিক, খাড়েরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট আবু আবদুল্লা ভূইয়া, কসবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া মিলন, উপজেলা ছাত্রলীগ আহ্বায়ক আফজাল হোসেন রিমন, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মানিক ও পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি শফিকুল ইসলাম সরকার। এসময় ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিগনসহ গন্যমান লোকজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জন্মদিনের কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।