
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য
মুশফিকুর রহমান বলেছেন, ‘পিআর পদ্ধতি বিএনপি মানে না, এটা সম্ভবপর নয়। কারণ পিআর পদ্ধতিতে সরকার গঠন করলে সরকার কোনদিন স্ট্যাবল হবে না। এই কারণেই আমরা পিআর প্রদ্ধতিতে নির্বাচন চাই না। আমরা সরাসরি প্রতিনিধিত্ব মুলক নির্বাচন চাই।’ ‘আমরা যেটা চাই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠা গড়ে উঠুক। গণতন্ত্র আসুক। যে জন্য আমরা সংলাপ করেছি। এক দল চায় এটাকে বানচাল করতে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর সুপার মার্কেট চত্বরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ ও জনসভা প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুশফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
সচিবালয়ে ঢুকে আন্দোলনের কথা ইংগিত করে এ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘জীবনে কোনদিন শুনেছেন সচিবালয়ে ঢুকে পড়তে। কিন্তু এখন তো ঢুকে গেছে। কেমনে ঢুকে? কাজেই এটা আমাদের দেখতে হবে, বুঝতে হবে। এটা মনে রাখবেন। আমি কোন দলের নাম বলছি না। কিন্তু আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. ইলিয়াসের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল হুদা খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মুনসুর মিশন, কার্যকরী সদস্য খন্দকার মো. বিল্লাল হোসেন, কসবা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আশরাফ আলী, সাবেক সহ-সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, সাবেক সহসভাপতি বেলায়েত হোসেন হেলাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবীর প্রমুখ।
জনসভায় মুশফিকুর ভারতকে ইংগিত করে বলেন, ‘আমাদের যে পার্শ্ববর্তী বড় দেশ আছে তারা কিন্তু আমাদের মঙ্গল কামনা করে না। আমাদের মঙ্গল আমাদের নিজেদের চাইতে হবে এবং সেই মঙ্গল আসবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে। নির্বাচনটি ইনশাল্লাহ হবে। যত চেষ্টা যেই করুক নির্বাচন বানচাল করা কঠিন হবে। নির্বাচন ছাড়া আমাদের দেশের সমস্যা দূর হবে না।’