
সত্যিই সত্যকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া আর সৎ ভাবে থাকা খুবই কঠিন। আর এ পথে আপনার কাছে আপনি কাউকেই পাবেন না। বর্তমান সময়ে এর জলন্ত উদাহরণ নাসিরনগরের সাংসদ ও মন্ত্রী ছায়েদুল হক । তিনি তৈলবাজদের ভিড়তে দেননা, তিনি মাস্তান পালন করেন না এটা তার আরেকটা বড় অপরাধ। আমি তাকে খুব কম দেখেছি। সংবাদ কাভার করেছি খুবই কম। কারণ তিনি সেভাবে মিডিয়া কাভারেজ পচ্ছন্দও করেন না। যে দিন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাস গুপ্ত ধর্মীয় আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উত্থাপন করেন, সে আর সকলের মতই আমিও সে কথাটা বিশ্বাস করেছিলাম। মনে মনে বলেছিলাম কেন তিনি এটা বলতে গেলেন। তবে গত কয়েকদিন নাসিরনগরে সংবাদ কাভার করতে গিয়ে তার বক্তব্য শুনেছি। তাকে দেখেছি খুব কাছ থেকে। তার চোখে দেখেছি। ক্যামেরার চোখে দেখতে দেখতে মানুষের অভিব্যাক্তিগুলো কিছুটা ধরতে পারি। কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা সেটাও কিছুটা আন্দাজ করতে পারি। আমি বিনা সন্দেহে বলতে পারি, মন্ত্রী এ ধরনের কথা কাউকেই বলেন নি।
উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের মিশনে নেমছিলেন। মিশনকে বাস্তবায়ন করতে কত কিছুই না তারা করেছে। সব কথা জানলেও লিখা যাচ্ছেনা। কারণ বিষয়টা তদন্তাধীন। আইনের প্রতি আমাদের সবারই শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত।
আশা করি সেই শ্রদ্ধার ফল খুব তাড়াতাড়ি জনতা দেখতে পাবে। জয়তু মন্ত্রী ছায়েদুল হক। আমি রাজনীতি কখনো করিনি। তবে আপনাকে জানার পর সত্যই আমার রাজনীতি করতে বড় ইচ্ছে হয়। আজ একটা পরিসংখ্যান পেয়েছি নাসিরনগরের মাত্র তিন শতাংশ ভোটার সংখ্যালগু। এ যদি সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে আর এটা বলার সুযোগ নাই যে আওয়ামীলীগকে ভালোবেসে সংখ্যালগুরা ভোট দিয়ে ছায়েদুল হক কে পাস করিয়েছে পাঁচ পাঁচ বার । এটাই বলতে হবে সততার জয়, ভালবাসার জয়।
মনিরুজ্জামান পলাশ
সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচার ব্যবস্থায় নিয়োজিত শ্রমিক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
ফোন : ০১৬৭১৩৯৪৬৬৬