The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

পর্নোগ্রাফি মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিপুর জামিন নিতে গিয়ে ধরা ভুয়া আসামি মাহফুজ!

মাহফুজুল ভুয়া আসামি, তার বিরুদ্ধে হয়েছে প্রতারণার মামলা।

জয়পুরহাটে পর্নোগ্রাফি মামলায় আসল আসামির বদলে ভুয়া আসামি জামিন নিতে গিয়ে ধরা পড়েছেন মাহফুজুল হক নামে এক যুবক। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর পর বিষয়টি জানাজানি হয়। মামলার আসল আসামি জুলফিকার নিপু আদালতে হাজির না হয়ে জালিয়াতি করে মাহফুজুলকে আদালতে পাঠান জামিন নেয়ার জন্য।

অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় আদালত ভুয়া আসামি মাহফুজুলকে কারাগারে পাঠায়। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ওই যুবকসহ ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জনের নামে একটি জালিয়াতি মামলা করা হয়।

পর্নোগ্রাফি মামলার ১নং আসামী জুলফিকার নিপু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার বগইর গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে। বর্তমানে রাজশাহীর রাজপাড়া থানার বহরমপুর গ্রামে বসবাস করেন। আর মাহফুজুল হক জয়পুরহাট শহরের শাপলানগর এলাকার জনৈক আব্দুর রহিম মন্ডলের ছেলে।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, জুলফিকার নিপুর একজন প্রবাসী। তার সাথে জয়পুরহাট সদর উপজেলার এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্পর্কের এক পর্যায়ে মেয়েটির কিছু ছবি এবং একান্ত সময়ের কিছু ভিডিও ধারণ করে নিপু। পরবর্তীতে ওই মেয়ের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দেয়ায় তাদের অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় মেয়েটি বাদী হয়ে জয়পুরহাট চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় ৬ নভেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল জুলফিকার নিপু। কিন্তু আসামী জুলফিকার নিপু নিজে হাজির না হয়ে বড় অংকের টাকার বিনিময়ে মাহফুজুল হককে জুলফিকার নিপু হয়ে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য চুক্তি করেন। এরপর মাহফুজুল জুলফিকার নিপুর বদলে আদালতে হাজিরা দেন।

এরপর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক শ্যাম সুন্দর রায় তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়। পরে আদালত জানতে পারেন মাহফুজুল এই মামলার আসল আসামি নয়। টাকার বিনিময়ে তিনি প্রতারণা করে জুলফিকার নিপুর পরিবর্তে আদালতে হাজিরা দিতে এসেছিলেন। এ ঘটনায় মাহফুজুলসহ ৫ জনের নামে একটি প্রতারণার মামলা করে আদালত। বর্তমান মাফুজুল কারাগারে রয়েছেন।

Exit mobile version