
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সঠিন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে না পারার কারণে পত্তনটি অনেকটা অবহেলিত। আসন্ন নির্বাচনে তারা সঠিক চেয়ারম্যান বাচাই করে নিতে যাচ্ছেন এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পত্তন ইউনিয়নের এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রথম পছন্দ হৃদয় আহমেদ জালাল।
কারণ হিসেবে তারা জানান, জনপ্রতিনিধি না হয়েও এলাকার সুখে-দুঃখে তিনি এগিয়ে আসে। ব্যক্তিগত ভাবে ইউনিয়নের জনগণের সুবিধার্থে অনেক কাজ করেছেন। নিজ অর্থে ইউনিয়নে কয়েকটি সড়ক মেরামত করে দিয়েছেন। এই বিষয়ে পত্তন ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. আকতার মিয়া বলেন, এবার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এমন একজনকে চাই, যে এলাকার উন্নয়নে কাজ করবে। দেশের সব জায়গায় কাজ হলেও আমাদের ইউনিয়নে তেমন উন্নয়ন হয়নি। হৃদয় আহমেদ জালাল নিজ অর্থে আমাদের এলাকার একটি রাস্তা মেরামত করে দিয়েছেন, যেখানে কোন জনপ্রতিনিধি খোঁজও নেননি। বিল্লাল মিয়া নামের আরেকজন বলেন, আমরা চেয়ারম্যান হিসেবে এবার জালালকেই চাই। এলাকার একটি ব্রিজের গাড়ি উঠতে পারতো না, জালাল নিজের টাকায় ইট কিনে দিয়ে মেরামত করে দিয়েছেন। এখন ব্রিজে গাড়ি উঠতে পারে।
এই বিষয়ে পত্তন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হৃদয় আহমেদ জালাল বলেন, স্থানীয় মুরুব্বি শাহাদাৎ আলী মোল্লার হাত ধরে আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হই। ২০১১ সালে এই ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছি। ২০১৬ সালে দলীয় প্রতিকে ইউপি নির্বাচন শুরু হলে আমি আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। সেসময় আমি মনোনয়ন পাইনি। পরে এমপি মহোদয়ের আশ্বাসে আমি উনার ও দলের প্রতি সম্মান রেখে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করেনি। কিছু দিনের মধ্যে হয়তো তফসিল ঘোষণা করা হবে, স্থানীয় জনগণের অনুরোধে এবারও প্রার্থী হয়েছি। আশা করছি দল আমাকে মনোনয়ন এবার দিবে। আমি আমার প্রাণপ্রিয় নেতা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাব। পত্তন ইউনিয়নটিতে নিয়ে আমার ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। পূর্বাঞ্চলের পত্তন হবে একটি মডেল ইউনিয়ন।