The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা সফলে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন

cbt৬ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন দুপুর ১টায় পৌর এলাকার শিমরাইলকান্দি তিতাস নদীর ঘাট থেকে প্রতিযোগীতা শুরু হয়ে পৌর এলাকার মেড্ডা কালাগাজীর মাজার এলাকায় প্রতিযোগীতা শেষ হবে। এদিকে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা সফলভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বুধবার সকাল ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, এবারের নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নৌকা ছাড়াও কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলার বেশ কয়েকটি নৌকা অংশ গ্রহণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই নিকলীর নৌকার ব্যাপারে তাদের সাথে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতায় প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রতিযোগীতা চলাকালানীন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সুপারকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক ডঃ মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন আরো বলেন, নৌকা বাইচের সময় তিতাস নদীতে প্রতিযোগীতার স্থলে কোন ব্যক্তিগত নৌকা প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। এ জন্য তিনি জেলাবাসীসহ গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগীতা কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ বশিরুল হক ভূইয়া, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু ও নেজারতে ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) এ.এস.এম. মোসা। নৌকা বাইচ সফল করতে বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি খ.আ.ম রশিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আল আমীন শাহীন, সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আলম, আবদুন নুর, মনির হোসেন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, তিতাস নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর প্রাণের এক উৎসব। এই উৎসব উপভোগ করতে প্রতিবছর তিতাস নদীর দুই পাশে লাখো মানুষের ঢল নামে।প্রেস রিলিজ

Exit mobile version