
এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রবিবার সকালে নবজাতক ও প্রসূতির আত্মীয়-স্বজন হাসপাতালের ভিতর উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
প্রসুতি মনোয়ারা বেগম(২৫) অভিযোগ করে বলেন ডাক্তার মকবুল নার্সকে বলেন রুগীর অবস্থা ভাল, তাই স্বাভাবিক ভাবে বাচ্চা প্রসব সম্ভব। কিন্তু ডাক্তার চলে যাবার পর নার্স নয়ন মনি প্রসুতির আত্মীয় স্বজনদের সজনদের বের করে রোগীকে একটি পরিত্যক্ত রুমে দরজা বন্ধ করে বাচ্চা প্রসবের চেষ্টা করলে নবজাতকের মৃত্যু হয়। বর্তমানে প্রসুতির শারিরীক অবস্থা সংকটাপন্ন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবজাতকের মাথার ঠিক মধ্যে প্রায় ১ ইঞ্চি একটি গর্ত এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কাটা ছেড়ার দাগ। পরিবারের অভিযোগ নার্স নয়ন মনি ধারালো চাকু দিয়ে কেটে আমার সন্তানকে বের করেছে।
এব্যাপারে নার্স নয়ন মনির সাথে কথা বলতে গেলে তিনি হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান এবং ডাক্তার মকবুলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে জরুরী মিটিং এ আছি পরে কথা বলব।”
উল্লেখ্য হাসপাতালে টিএইচও, ডাক্তার শুকলাল সরকারের সাথে দেখা করতে গেলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় তিনি আজ হাসপাতালে আসেননি।
এলাকাবাসী জানায়, এই রকম ভুল চিকিৎসা প্রতিনিয়ত হচ্ছে দেখার কেউ নেই। কেউ কিছু বললে বিভিন্ন হুমকী ভয় দেখিয়ে আসছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।