
এ বিষয়ে সরেজমিন অনুসন্ধানে গিয়ে বাজার পাহাড়াদার মুন্সি পাড়ার হামিদুল্লার ছেলে রহমান মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সে বাড়ি থেকে এসে খালি ঘরে শহীদের চিৎকার শুনতে পায়। পরে কাছে গিয়ে তার এই অবস্থা দেখে বাবুলের আত্মীয় হৈমন্তি ও তার ছেলে মিটুকে ঘটনাটি জানায়। পরে সে তাদের নিয়ে আলমগীর মেম্বার, মহিলা মেম্বার ও স্থানীয় ইউপি চেযারম্যান ফারুকুজ্জামানের কাছে গেলে তারা কেউ এগিয়ে আসেনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গৃহকর্তা বাবুল বলেন রাতে আমি ও আমার স্ত্রী নাসিরনগর সদরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে ছিলাম। ওই রাতে ঘরের ভিতর আমার তিন মেয়ে, শালী ও শালীর জামাতা ছিল। শহীদ বারান্দায় ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। অনেক রাত পরে আমি শহীদের খুনের খবর পাই। রাতের বেলায় কোন গাড়ি না পাওয়ায় আসতে পারিনি।
ঘটনা সম্পর্কে বাবুলের তিন কন্যা রুপা, পূজা, ও মুক্তার কাছে জানতে তাদের আত্মীয়ের বাড়িতে গেলে তারা বলেন, রাত তখন ১০টা বাজে, মা বাবা বাড়িতে নেই,আমরা তিন বোন ঘুমিয়ে পরি। হঠাৎ শুনতে পাই ৭/৮ জন লোক ঘরে প্রবেশের চেষ্টা করছে।এ সময়ে শহীদ তাদের বাধা দেয়,তখন তাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দ্বারা শহীদের পেটে আঘাত করে। ঘটনা বুঝতে পেরে আমরা প্রাণের ভয়ে পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে চলে আসি। এখন বাড়িতে যেতে খুব ভয় হচ্ছে।
এ ব্যাপারে নাসিরনগর থানা অফিসার ইনচার্জ মো; আব্দুল কাদেরের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান এখনো কোন মামলা হয়নি।ঘটনাস্থলে এস আই মোঃ মনির হোসেন ভুইয়া কে পাঠানো হয়েছে।