
থানায় লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগীর ভাতিজা আনোয়ার হোসেন উল্লেখ করেন, ডিঘর মৌজার সাবেক ৯৮ হালে ১০২ দাগে ৪১ শতক পুকুর ও আশপাশের অন্যান্য দাগের মোট ২৬৩ শতক পুকুর ও নাল ভূমির মালিক সালেক মোল্লা। ঘটনার দিন সালেক মোল্লার লোকজন পুকুর কাজ করতে গেলে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা জানে আলমের নেতৃত্বে একদল লোক দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে সালেক মিয়ার লোকজনদের উপর। এ সময় হামলায় ১২ জন আহত হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় গুরতর আহত তিনজনকে মূমূর্ষ অবস্থায় নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অপর ৯ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নূও আলম নামে একজনকে আটক করে পুলিশ।
আহতরা হলো- আনোয়ার হোসেন, সালেক মোল্লা, মিজানুর রহমান, সান্তু মিয়া, আব্দুল আজিজ, ডালিম মিয়া, রাকিব মিয়া, তারেক মোল্লা, হুমায়ুন মিয়া, আলামিন মিয়া, সামছুল হক।
ভুক্তভোগী সালেক মোল্লার সাথে কথা হলে তিনি জানান, ২৬৩ শতক জায়গা আমার পৈত্রিক সম্পত্তি। কিন্তু জানে আলমসহ অপর আসামিরা আমাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ২৬৩২ শতক জায়গা সরকারী খাস খতিয়ানে অর্ন্তভুক্ত করে নেয়। পরে আমরা খাস খতিয়ান থেকে সম্পত্তি উদ্ধার করতে আদালতে মামলা করি। মামলায় আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেয়। পওে সরকার পক্ষ উচ্চ আদালতে আবেদন করলে সেখানেও আমাদের পক্ষে রায় আসে। উচ্চ আদালত আদেশ দেয় জমির মালিককে জমি বুঝিয়ে দিতে। তখন নাসিরনগর উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি তাহমিনা আক্তার ও পুলিশ গিয়ে আমাদেও জায়গার সীমানা নির্ধারণ কওে লাল নিশান টানিয়ে দিযে আমাদের জমির দখল বুঝিয়ে দিয়ে আসে। এর পর থেকেই জানে আলমসহ তার লোকজন আমাদের সম্পত্তি দখল করতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে আসছে। সর্বশেষ আমার পুকুওে কাজ করতে গেলে তারা অর্তকিত হামলা করে ১২ জনকে পিটিয়ে আহত করেন।
জানে আলমের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
হামলার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত কওে নাসিরনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: হাবিবুল্লাহ সরকার জানান, থানায় সালেক মোল্লার পক্ষে আহত আনোয়ার একটি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।