
নির্যাতিত ওই নারী অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার নূরপুর গ্রামের হিরণ মিয়ার ছেলে রোশন মিয়া আমাদের পাশাপাশি বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। প্রায় সময়ই আমার স্বামী ঘরে না থাকলে আমার প্রতি খারাপ দৃষ্টি দেয়। ঘটনার দিন ৩ জুন দুপুরে আমার স্বামী জমিনে কৃষি কাজ করতে যায়। হঠাৎ করে রোশন আমার ঘরের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে আমার উপর শারীরিক নির্যাতন করতে থাকে। আমি বাধাঁ দিলে আমায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে মারাত্বক ভাবে আহত করে। পরে ঘরে থাকা গরু বিক্রির আড়াই লাখ টাকা নিয়ে যায় রোশন। আমার মেয়ে চিৎকার শুনে তার বাবাকে ডেকে আনলে রোশন পালিয়ে যায় । পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখন আমি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। তবে তাদের ভয়ে থানায় কোন অভিযোগ করতে পারছি না।
নির্যাতিতার স্বামী আলী আহাম্মদ জানান, আমার স্ত্রীকে মারধর করে আড়াই লাখ টাকা নিয়ে যায়। পরে আমার ঘরে ভাঙচুর চালায় রোশন। তার ভয়ে থানায় কোন অভিযোগ করতে পারছি না।
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কবির হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।