
নাসিরনগর সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়ির সহকারি পুলিশ সুপার মুনিরুজ্জান ফকির বলেন, সোমবার রাতে সংবাদ পাওয়ার পর তাদের নিজ বাড়ির উঠান থেকে মরদেহ গুলো উদ্ধার করা হয়। তাদের বাড়িরটি মূল সড়ক থেকে একটু নির্জন দূরে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, হারুনের সাথে মাত্র আড়াই মাস আগে একই ইউনিয়নের নরহা পূর্ব গ্রামের জামাল মিয়ার মেয়ে মিনা আক্তারের বিয়ে হয়। সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিবেশিরা বাড়ির উঠানে তাদের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। অনেকে আবার বলছে, স্বামী স্ত্রীকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছে কিন্তু এই কথার কোন ভিত্তি না থাকায় তা বলা যাচ্ছে না। মরদেহ গুলোর বুকে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তদন্তের পর মূল রহস্য বের হয়ে আসবে।
হরিপুর ইউনিয়নের রাশেদ চৌধুরী বলেন, এটা স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া বিবাদের বিষয় না। এটি পরিকল্পিত হত্যা হতে পারে। কারন হিসেবে তিনি বলেন ১৯ নভেম্বর বিকালে হত্যা কান্ড ঘটার পর পরিবার হতে কেউ পুলিশকে অবহিত করেনি এবং এ ঘটনার পর তাদের পরিবারের সবাই পলাতক আছেন।