
ঘটনাটি ঘটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে। ২ জুন রাতে নাসিরনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান ও তদন্ত অফিসার মোঃ কবির হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ৮ জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নাসিরনগর থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সম্প্রতি এই এলাকাগুলোতে বেশ কয়েকটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা ডাকাতি করতে গিয়ে মানুষজনকে মারধর, ছুরিকাঘাতসহ গুরতর জখম করে। ব্যস্ততম এই সড়কটিতে ডাকাতি বন্ধে এবং ঈদে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ অভিযান পরিচালনা করে নাসিরনগর পুলিশ।
এগ্রো ফার্মের মালিক উদ্যোক্তা চৌধুরী সুমন জানান, বেশ কিছু দিন যাবৎ হবিগঞ্জ-নাসিরনগর সড়কে একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দল বিভিন্ন সময় ডাকাতি করে আসছিল। প্রায় রাতেই সিএনজি,অটোরিক্সা, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের বহনকারী গাড়িগুলো ডাকাতদের প্রধান টার্গেট থাকে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে ডাকাত দলের সর্বদার মন্নর আলী(৫২)ও রয়েছে। তার বাড়ি নাসিরনগর সদর ইউনিয়নের দাতমন্ডল গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে। অন্য আসামীরা হল উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের ফারুক(২১) জসিম(২৪) মারুফ(২৫)সজল(২২)। পার্শ্ববর্তী উপজেলা মাধবপুরের মির্জাপুর গ্রামের নাদিম(১৯)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতির কথা অকপটে স্বীকার করে জানিয়েছে, তারা আন্তঃজেলা পেশাদার ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে তারা সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের অপরাপর সহযোগীদের নিয়ে ডাকাতি করে আসছিল।
বুড়িশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মুকুল জানান, এই স্থানটিতে প্রায় সময় ডাকাতি হয়। ডাকাতের ভয়ে এলাকার মানুষ আতংকে রাত পার করছে।
নাসিরনগর থানা তদন্ত অফিসার মোঃ কবির হোসেন বলেন, এলাকার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি।