
ধর্ষক জাহাঙ্গীর মিয়া (২৫) নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বুড়িম্বর গ্রামের মো. ইয়াছিন উদ্দিনের ছেলে।
মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের দিকে ওই তরুণীর ভাবির বাড়িতে পরিচয় হয় জাহাঙ্গীরের সাথে। সেই পরিচয়ের কিছুদিন পর বিয়ের প্রস্তাব দেয় জাহাঙ্গীর। ওই তরুণী বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। পরে সে ঢাকার ধানমন্ডি-১ নম্বরে একটি বাসায় পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে গৃহরিচারিকার কাজ নেয়। ২০১৭ সালে ওই বাসার ঠিকানা খোঁজে বের করেন জাহাঙ্গীর। আবারো বিয়ের প্রস্তাব দেয় তরুণীকে। তখন বিয়েতে রাজি হয় তরুণী। পরে জাহাঙ্গীরের এক আত্মীয়ের বাসায় স্ত্রী পরিচয়ে কয়েকদিন থেকে তরুণীকে ধর্ষণ করে। এর পর থেকেই একাধিকবার তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। কিছুদিন পূর্বে সে ওই তরুণীকে না জানিয়ে অন্য একজনকে বিয়ে করে। এর পর সে আমার সাথে আর কোন যোগাযোগ করেনি। কিন্তু ওই বখাটে তরুণ আবারো তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে বিভিন্ন হুমকী দিতে তাকে। পরে থানায় মামলা করব বললে সে আমার সাথে আপোষ মীমাংসার কথা বলে নাসিরনগর সদরের দুলাল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে ১ লাখ টাকায় রফাদফার চেষ্টা করে। সে প্রস্তাব আমি প্রত্যাখান করি। তাই আমাকে ৪দিন আটক রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে। আমার পরিবারের লোকজন আমাকে উদ্ধার করে নাসিরনগর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে।
নাসিরনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কবির হোসেন বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা ধর্ষককে আটক করেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।