
নিহত কাউছার জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের চাতলপাড় গ্রামের বারামহাটি পাড়ার সুরুজ মিয়ার ছেলে। তিনি চাতলপাড় কলেজের এইচএসসি পরিক্ষার্থী।
চাতলপাড় কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওমর আলী সমকালকে বলেন, নিহত কায়ছার ঢাকায় থাকায় অবস্থায় জ্বরে আক্রন্ত হয়। তার পরিবারের লোকজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষা করে জানতে পারে সে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে।
নিহতের বড় ভাই শফিকুল এ প্রতিনিধিকে জানায়, কায়ছার ঢাকা থাকা অবস্থায় জ্বরে আক্রন্ত হয়। তার পর তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হই। ওই দিনই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে দুদিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সে পালিয়ে যায়। পরে ঢাকা রামপুরা থানার এক কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে। ওই পুলিশ কর্মকর্তা আমাদের সাথে যোগাযোগ করে পুনরায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। তিনি আরো জানান, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবার পর তার রক্তের প্লাটিলেট ১০ হাজারের নিচে নেমে আসে। তার পর হতে সে পাগলের মত আচরণ করতে থাকে। পরে বাড়িতে এনে স্থানীয় কবিরাজ দিয়ে চিকিৎসা করানো অবস্থায় সে মারা যায়।
নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সোহেব বলেন, নাসিরনগরে এ পর্যন্ত ২২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিল। তবে শতাধিক ডেঙ্গু রোগীকে আমরা শনাক্ত করেছি। তারা জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।a