
প্রসঙ্গত, গত ৩১ মে ‘ ঘুষ না দিলে নয়-ছয় ’ এই শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়।
গত বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বজলুল হককে চাকরি হতে বরখাস্ত করা হয়।
এদিকে ১১ জুন বুধবার বজলুল হকের অনিয়মের বিরুদ্ধে ও দুর্নীতি অভিযোগে মানববন্ধন ও স্মাকলিপি প্রদান করেন নাসিরনগরে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
স্মারকলিপির একটি অনুলিপি চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠনো হয়। পরে ওইদিন দুপুরে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন এবং তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্ত করে সত্যতা পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য বজলুল হক নাসিরনগর উপজেলা সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই এলাকার সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষকান্ডের অভিযোগ তুলেন। তার কাছে টাকা ছাড়া সেবা না পেয়ে জিম্মি হয়ে পড়েন সকল শ্রেণির মানুষ। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য,দুদক ঢাকা, জেলা প্রশাসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও প্রেস ক্লাব নাসিরনগর বরাবর বেশ কয়েকজন ভূক্তভোগী অভিযোগ করেন।