
পরে এলাকার সাধারণ জনগন নৌকায় গিয়ে ডিলারের সহযোগী সবুজকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। তখন তাকে সহ নৌকার ছবি তুলা হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানালে তখন চেয়ারম্যান উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করে এবং চাতলপাড় থানার পুলিশ এসে নৌকাটি থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
পরদিন সকাল ৯ টায় উপজেলা অফিস হতে লোকজন এসে তদন্ত করে চাউল চুরির সত্যতা পেয়ে চেয়ারম্যানের কাছে চাউল বুঝিয়ে দেয়া হয়। মোট জব্দকৃত চাল ৯০০ কেজি। চালের ডিলার রঞ্জিত দাস। তার দুজন সহযোগী হল এরশাদ আলী ও সবুজ।
এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে সালমার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি বিষয়টি ভাল করে জানতে পারিনি। তবে চালের ডিলারকে আমি ফোন করেছিলাম সে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আমি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্তা নেব।