
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত কুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়টি সাড়ে ৪ একর জায়গার উপর নির্মিত। চারদিকে মনোরম পরিবেশ। ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় স্কুল পর্যায়ে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে কুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৫২.৫০%। বিদ্যালয় হতে ৮৮ জন অংশ গ্রহণ করে ৪২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। অথচ গত বছরও এসএসসির ফলাফল ছিল প্রায় ৮০%। এ বছর ফলাফল খারাপ করার কারণ বুঝতে পারছেনা অভিভাবকেরা। ফলে মানববন্ধন করা হয় বলে জানান অনেক অভিভাবক।
বিদ্যায়টির প্রাক্তন ছাত্র মো মাইনুদ্দিন জানান, বিদ্যালয়ে কোন কিছুর অভাব নেই, প্রয়োজনীয় সব কিছু থাকার পরও পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হয়েছে। আরেক ছাত্র মিজবাহ জানায়, উপজেলার সকল বিদ্যালয় থেকে কুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বেশি সুযোগসুবিধা পেয়ে থাকে শুধু প্রত্যাশিত ফলাফলই হয়না।
কুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল হক সমকালকে জানান, কিছু বখাটে যারা বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন। তবে গত বছরের তুলনায় এবছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল খারাপ করেছে বলে স্বীকার করেন ওই প্রধান শিক্ষক এবং ফলাফল খারাপের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
কুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও শিক্ষার্থীর অভিভাবক জুনায়েদ হক জানান, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখায় অমনোযোগী হওয়া ও শিক্ষকদের পাঠদানে গাফলতির কারণেই এবছর এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল খারাপ হয়েছে ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক ও শিক্ষার্থী জানান, এ বছর ফলাফল খারাপ করার কারণ হলো গনিতে ফেল করেছে ৩৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী। গনিতের শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় নিয়মিত ক্লাশ নিতে পারেননি বলেও জানান তারা।
বিদ্যায়লটির পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা আশরাফী জানান, পরীক্ষার ফলাফল খারাপ করার কারণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচির বিষয়টি জেনেছি। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আমায় কিছু জানায়নি। বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।