
কচুয়া গ্রামের মোঃ নিয়ামুল বলেন,নূরুল আমিন ভূইয়া দীর্ঘ দিন ধরে চাতলপাড় ইউনিয়ন সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে। এলাকায় তাকে সবাই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চেনে। তার কারণে হাওড় বেষ্টিত ভাটি অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে মাদক সেবীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এলাকাবাসী জানায়, নুরুল আমিন(২৭) ও তার বড় ভাই আলামিন (৩৪) দুজন মিলে চাতলপাড়কে মরণ নেশা ইয়াবার স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে। তারা বলেন, ৪/৫ বছর পূর্বেও দু’ভাই চাতলপাড়ের বিভিন্ন বাড়িতে দিনমজুরের কাজ করত। হঠাৎ করেই আলামীন চট্টগ্রামে সিটি ৭ নামের একটি জাহাজে চাকরী নেয়। জাহাজে চাকরীর পর হতেই এ দুজন অল্পদিনে কোটিপতি হয়ে যায়। তারা আরো বলেন, আলামীন ঢাকার রুপসীতে ১৫ শতাংশ বাড়ির জায়গা ক্রয় করেছে যার বর্তমান বাজার মূল্য ৩ কোটি টাকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আলামীন হল অত্র এলাকার মাদকের ডন। সে চট্টগ্রাম হতে জাহাজে করে ইয়াবার চালান নারায়ণগঞ্জের কিছু ব্যবসায়ীদে কাছে স্থানান্তর করে। পরে নৌকা করে নারায়ণগঞ্জ হতে ভৈরবে আসার পর চাতলপাড়ে বাকি ইয়াবা পাঠানো হয়। ভাটি অঞ্চলের ইয়াবার ব্যবসা দেখভাল করে তার ছোট ভাই নুরুল আমিন। চাতলপাড়ের মানুষের একটাই প্রশ্ন একজন দিন মজুর ৫ বছরে কিভাবে কোটিপতি হল। এ টাকার উৎস কোথায়। নাকি তিনি আলাদিনের চেরাগ পেয়েছেন??
এ ব্যপারে চাতলপাড় পুলিশের ফাঁড়ি ইনচার্জ মোঃ মাহফুজ বলেন, আমরা একজনকে আটক করেছি। তবে তার কাছে কোন মাদক পাওয়া যায়নি।