
গতকাল সোমবার বেলা দেড়টার একটার দিকে উপজেলার সদরের নাসিরপুর বাজারের থেকে এই চাল উদ্ধার করা হয়। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা সদর ইউনিয়নে বন্ধন দেব নামে এক ব্যক্তি ডিলার হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁকে বিতরেণর জন্য ১১ হাজার ৮৮০ কেজি চাল দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানা গেছে, গত রোববার রাতে ডিলার বন্ধন ৩০ বস্তা চাল উপজেলা সদরের নাসিরপুর বাজারের বিকাশ পালের ফাল্গুনী ডেকোরেটার্সে নিয়ে সরকারি বস্তা থেকে খুলে চালগুলো প্লাস্টিকের সাদা বস্তায় ভরেন। এসময় স্থানীয় একলোক এতে বাঁধা দেন। এসময় বন্ধন ও বিকাশ ওই লোককে তিন বস্তা চাল নেয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু ওই ব্যক্তি এতে রাজী হননি। পরে তিনি বিষয়টি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাশেমকে জানান। ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে পৌছে দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেন। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত আলী ও খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌছে দোকান থেকে ৩০ বস্তা চাল জব্দ করেন। পরে এসব চাল ৪৫ হাজার টাকায় নিলাম করেন।
আবুল হাশেম বলেন, বিষয়টি শুনে দ্রুত বাজারে ছুটে যায়। আমার যাওয়ার আগেই ডিলার ও ডেকোরেটার্সের মলিক পালিয়ে যায়। পরে দোকানে তালা ঝুলিয়ে বিষয়টি ইউএনওকে অবগত করি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত আলী বলেন, চালগুলো ৪৫ হাজার টাকা নিলাম করে দেয়া হয়েছে। নিলামের টাকা বাজারের মসজিদ ও মন্দিরে খরচের জন্য দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বন্ধন দেবের সবধরণের ডিলারশিপ বাতিল করা হবে।