The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

নাসিরনগরসহ সারা দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়ি-ঘর ও মন্দির ভাংচুরের ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

hmjসাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প তুলে ফেলার দাবীতে এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার দাবীতে আজ ১১ নভেম্বর, শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।

নাসিরনগরসহ সারা দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি-ঘর ও মন্দির ভাংচুরের ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নেতা, জেলা শাখার সভাপতি জয়শঙ্কর চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চৌধুরী রিপনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় হিন্দু মহাজোট কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বিষ্ণুপদ দেব, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন, কমিউনিস্ট পার্টির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাজিদুল ইসলাম, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রদ্যোৎ নাগ, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি প্রবীর কুমার দেব, গীতা সংঘের সভাপতি শ্যামল দাস, হিন্দু মহাজোট জেলা কমিটির সদস্য সুব্রত দাস, চন্দন বণিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা রামলাল সাহা ও অরুন সরকার প্রমুখ।

সভায় বক্তাগণ বলেন, নাসিরনগরে ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমরা তীব্রভাবে এর প্রতিবাদ ও নিন্দা করছি। তারা আরো বলেন, মুসলিম লীগ পরিবারের সন্তান ন্যাক্কারজনক হামলার উস্কানিদাতা এবং অর্থ যোগানদাতা, কুখ্যাত মদ ব্যবসায়ী হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান আঁখি’কে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে এবং নাসিরনগর উপজেলা চেয়ারম্যান এটিএম মনিরুজ্জামান, সদর ইউপি চেয়ারম্যানসহ সকল হামলাকারীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আনার দাবী জানান। বক্তারা বলেন, দলীয় কোন্দলের জেরে যদি এ হামলা হয়ে থাকে, তাহলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় কেন বলির পাঠা হবে। আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ চাই। আমরা একে-অপরের ভাই হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছি এবং ভবিষ্যতেও বসবাস করতে চাই। আমাদের সাথে কেন বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয় তারও জবাব চাই এ সরকারের নিকট। বক্তারা আরো বলেন, প্রশাসনের মাঝে সাম্প্রদায়িক ব্যক্তিরা ঘাপটি মেরে বসে আছে। তাদেরকে চিহ্নিত করে প্রত্যাহার করলেই সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প মুছে যাবে।

সমাবেশ শুরু হওয়ার আগে সকাল ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।প্রেস রিলিজ

Exit mobile version