
জানা যায়, সরকারি ওই হাসপাতালের সকল স্টাফদের নমুনা সংগ্রহ করে গত পাঁচ দিন আগে ঢাকায় পাঠানো হয়। এরই মধ্যে ডাক্তারের নমুনা পরীক্ষা ব্যতীত বাকি সবার রক্তে করোনা নেগেটিভ পাওয়া যায়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের পরীক্ষার ফল পাঁচ দিন পর আজ পাওয়া যায়। সেখানে তার রক্তে করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে ডাক্তারের সাথে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করেও কথা বলা যায়নি।
ডা.হাবিবুর রহমান বলেন, ডাক্তার সদরের যে বহুতল ভবনে ভাড়া থাকেন, সেই ভবনটিসহ আশপাশের বাড়িঘরগুলোতে লকডাউন কড়াকড়ি করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম বলেন, বহুতল ওই ভবনটি এর মধ্যেই লকডাউন করা হয়েছে।