
সরজমিনে দেখা যায়, বেশিরভাগ খাবার হোটেলগুলো খাবার তৈরী ও পরিবেশন করছেন নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। ভেজাল বিষাক্ত তেল,পঁচা-বাসি খাবার,নোংরা,গন্ধযুক্ত খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে খাবার হোটেল গুলোতে। আর এতে করে সাধারণ মানুষ বদহজম,পেটর পীড়া,ডায়রিয়াসহ নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
সরকারি বিধি নিষেদ না মেনেই অবাধে এসব নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হোটেল মালিকরা তাদেও ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে নির্ভয়ে। আর এসব অভিযোগের তীর প্রশাসনের দিকেই ছুরছে সাধারণ জনগন।
স্থানিয় বাজারের ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক গৌরাঙ্গ দেবনাথ অপু জানান, প্রশাসনের সঠিক তদারকির অভাবেই এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অবাধে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এ খাবার হোটেল মালিকরা।
খাবার হোটেল-রেস্তুরায় মিষ্টরি দোকান গুলোতে দেখা যায়, হোটে কিংবা দোকানের চেয়ে একটু দূরে লোকচক্ষুর আড়ালে খাবার তৈরী,উৎপাদন এবং রান্না-বান্নার কাজগুলো সম্পাদান করা হচ্ছে। আর এসব খাবার তৈরীর জায়গায় একেবারে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। অনেকে খালি হাতেই ময়দা মাখা থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজগুলো সেরে ফেলছে। অথচ খালি হাতে কোন খাবার তৈরি করলে ওই খাবারে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি সাধিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েই যায়। হোটেলগুলোতে খোলা পাত্রে রাখা হচ্ছে খাবার। সেখানে অনাবরত মাছি বসছে,নষ্ট হচ্ছে খাবার।
উপজেলা নির্বাহী আফিসার মোহাম্মদ মাসুম জানান, আমদের মনিটরিং টীম জনগনকে সচেতন করার লক্ষে এই বাজার পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছে। এ ছাড়াও রোজা উপলক্ষে কেউ খোলা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতার সামগ্রী বা খাবার বিক্রিয় করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পর্যাক্রমে উপজেলার সব কটি বাজারে আরো শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।