
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌর এলাকার সবচাইতে ব্যায়বহুল বড় ড্রেইন নির্মানের কাজ এটি। প্রায় ৬-৭ফিট গভীর এই ড্রেইনটি ৪নং ওয়ার্ডের নবীনগর ইচ্ছাময়ি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় ২নং ওয়ার্ডের নবীনগর পশ্চিম পাড়ার শেষ অংশে গিয়ে। সেখানে দেখা যায়, ড্রেইনটির ডানে বাড়িঘড়,বামে রাস্তা ও সামনে একটি বিশাল বালি ব্যবসায়ীদের বাঁধ। মাত্র একটি দের বিঘা পতিত জমির মাঝেই পৌর এলাকার সব ময়লা পানি জমাট হয়। স্থানীয়রা জানান, ড্রেনের ময়লা পানিতে পতিত জমিটি বারমাসই ভরাট থাকে। সাথে ড্রেইন গুলিও সমান তালেই ভরাট থাকে। সে ময়লা পানি থেকে ড্রাইরিয়,ম্যালিরিয়া,ট্রায়ফেডসহ নানাহ রোগে অক্রান্ত হচ্ছেন পৌরবাসী এলাকার মানুষ জন।
এলাকার বাসীন্দা লিমন মিয়া জানান, এতো টাকা ব্যায়ে ড্রেইন নির্মান করলেন কিন্তু পানি নিস্কাশনের জায়গা রাখলেন না বিষয়টি মাথায় ধরেনা। পৌরসভার কর্তাব্যাক্তিরা হয়তো ফসলি জমিগুলি নষ্ট করে পানি নিস্কাসনের জায়গা করেছিলেন। কিন্তু সেটাও হলোনা কারন, বালু ব্যবসায়ীরা জমিতে বাঁধ দিয়ে সে ব্যবস্থাও নষ্ট করে দিয়েছেন। আমরা নগরবাসী এর প্রতিকার চাই।
নবীনগর পৌরসভার মেয়র মাঈন উদ্দিন আহাম্মেদ জানান,বিষয়টি সরজমিনে দেখে দ্রুত প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেবো।