
উল্লেখ্য যে, স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর এই প্রথমবার মত স্থানীয় সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল এর সহযোগীতায় ও জেলা পুলিশের উদ্যোগে স্মৃতি স্তম্ভটি নির্মিত হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নে পাগলা নদীর তীরবর্তী খারঘর গ্রাম। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর, আশুগঞ্জ, ভৈরব ও নবীনগর উপজেলা সদরের সঙ্গে সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় মুক্তিযুদ্ধে এ অঞ্চলটিতে হানাদারদের আক্রমনের ভয় খুব একটা ছিল না। মুক্তিযোদ্ধারা এখানে অবস্থান নিয়ে কয়েকটি অপারেশন চালায় নবীনগর, আশুগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। বিষয়টি এক পর্যায়ে জেনে যায় পাকিস্থানি হানাদাররা। ১৯৭১ সালে ১০ অক্টোবর বরবর পাক বাহিনী নদী পথে জাহাজে এসে এলোপাথাড়ি আক্রমন করে। এ সময় হত্যা করে ৪৩ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে। তাদের নির্যাতনের শিকার হয়ে আহত হয় ১শ ২৭জন। নিহতের একই সাথে গণকবর দেওয়া হয় এই স্থানটিতে। এরপর থেকে প্রতি বছর ১০ অক্টোবর খারঘর গণহত্যা দিবস পালিত হয়ে আসছে।