
গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গোকর্ণঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাবার নাম নুরুল হক, বাড়ি শিবপুরের পাশ্ববর্তী সাহারপাড় গ্রামে। গ্রেপ্তারকৃত পলাতক আসামিকে আজ শুক্রবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শিবপুর সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষিকা লাইলুন নাহার লতাকে ১৯৯৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে এলাকার বখাটে সোহেল মিয়া তার দলবল নিয়ে অপহরণ করেন। পরে তাকে জোরপূর্বক বিয়েও করেন ওই বখাটে।
এ ঘটনায় পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে লতাকে উদ্ধার করার পর সোহেল মিয়াকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন ওই প্রভাষিকা।
আসামি সোহেলকে গ্রেপ্তার করার পর শিবপুর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মসিউর রহমান এ প্রতিনিধিকে বলেন, চাঞ্চল্যকর এ অপহরণ মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত প্রধান এই আসামি দীর্ঘদিন প্রবাসে পলাতক ছিলেন। দেশে আসার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করি।
নবীনগর সার্কেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মকবুল হোসেন বলেন, ১৯৯৮ সালে আদালতের রায়ে দণ্ডিত ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এই আলোচিত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের পর আজ সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।