
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের বলেন, পরীক্ষার ফি নেওয়ার পরও প্রধান শিক্ষক কেন গত বছরের প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা নিচ্ছেন? এ রকম হলে ছেলেমেয়েদের জীবন শেষ হয়ে যাবে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা বলে, নবম-দশম শ্রেণিতে দুজন শিক্ষার্থীকে একই প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রিন্টিংয়ে ২০১৯ সালের স্থানে ভুলক্রমে ২০১৮ ছাপা হয়েছে। প্রশ্নপত্র নতুনভাবেই করা হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোকাররম হোসেন বলেন, এমনটা হওয়ার কথা নয়, বিষয়টি দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।