
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২০০৯ সালের ১০ জুলাই রাতে রফিকুল ইসলাম তার স্ত্রী ফাতু বেগম শিমুকে নিয়ে কুড়িঘর গ্রাম থেকে রিক্শাযোগে বিদ্যাকূট গ্রামে তার নিজ বাড়িতে যাচ্ছিল। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী কুড়িঘর-বিদ্যাকূট সড়কে শিমুকে হত্যা করার জন্য আসামি আক্তার শামীম, আক্তার হোসেন, ও আরশ উৎপেতে ছিল। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই সড়কে স্বামী রফিকুলের সহযোগিতায় আসামিরা ছুরিকাঘাত করে শিমুকে হত্যা করে। এ ঘটনাটি ডাকাতির ঘটনা সাজিয়ে নবীনগর থানায় পরদিন ১১ জুলাই একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে রফিকুলই পরিকল্পিত ভাবে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। পরে পুলিশ রফিকুলকে গ্রেফতার করে। তবে বাকি আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছেন। চাঞ্চল্যকর এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এস এম ইউসুফ ও আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট হামিদুর রহমান।
এ ব্যাপারে জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এসএম ইউসুফ জানান, এটি জঘন্য হত্যাকান্ড হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কি কারণে রফিকুল তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে সেটি সে আদালতকে জানায় নি। তবে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে সে নিজেই খুনি ভাড়া করে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ এবং বাদীপক্ষ উভয়ই সন্তুষ্ট।