
স্থানীয়রা জানান, এলজিআরডির তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী কর্মবীর বিপুল চন্দ্র বনিকের সহযোগীতায় এলাকায় অনেক সড়ক হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের গ্রামের চলাচলের অনুপযোগী ঈদগাহ ও কবরস্থানের যাতায়তের রাস্তাটির কাজ হচ্ছে। অতি অল্প সময়ের মধ্যে এই মহতি কাজ শুরু করার মাধ্যমে কর্মবীর বিপুল বণিক মহোদয় প্রমান করলেন তিনি এলাকার মানুষের প্রতি কতোটা আন্তরিক।আমরা গ্রামবাসী উনার জন্য দোয়া করি।মহান আল্লাহ উনাকে ভালো রাখুক।
এলজিআরডির তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী কর্মবীর বিপুল চন্দ্র বনিক বলেন, গ্রামের তরুণ যুব সম্প্রদায় প্রমান করলেন তারাও গ্রামের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চায় নিঃস্বার্থ ভাবে। আলোচিত এই কবরস্থানের কাজটি শুরু করার ঘোষণা দেওয়ার পর গ্রামের দুজন দানশীল মানুষ তাদের জমি থেকে মাটি দেওয়ার ঘোষণা করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। আসলেই, আমরা সকলে মিলে একটু একটু করে অবদান রাখলে দেশ,সমাজ গ্রাম বদলে যাবে।ধন্যবাদ সবাইকে।