
প্রথমবারের মতো জেলার নবীনগর সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৪০ হেক্টর জমিতে হাইসান-৩৩ জাতের সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে।’কৃষি বিভাগের সার্বিক তত্বাবধানে সরকারের রাজস্ব খাতের অর্থায়নে চাষীদের উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে সার, বীজ ও নগদ অর্থ। প্রতি ত্রিশশতাংশ জমি থেকে ৬ থেকে সাড়ে ৬ মন সূর্যমুখীর বীজ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে চাষীরা। উৎপাদিত বীজ দিয়ে তেল ছাড়াও পাওয়া যাবে খৈল। অবশিষ্ট গাছ ব্যহার করা যাবে জ¦ালানীর কাজে। ধান চাষ করে তেমন লাভবান হতে না পারলেও কৃষকরা আশা করছে সূর্যমুখী চাষে লাভবান হবেন তারা। ৯০ থেকে ১০৫ দিনের মধ্যেই কৃষকরা সূর্যমুখী ফুল থেকে বীজ ঘরে তুলতে পারবেন। বিঘা প্রতি কৃষকরা ১০/১১ হাজার টাকার বীজ বিক্রি করতে পারবেন। ভিটামিন সমৃদ্ধ সূর্যমুখীর তেলে কোলেস্টোরেলের পরিমান খুবই কম। আগামিতে সূর্যমুখীর চাষ অনেক বাড়বে বলে মনে করছে চাষীরা। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেতে লোকজন ফুলের বাগান দেখতে আসছে। উৎপাদিত সূর্যমূখী বীজ বিক্রয়েও কৃষকদের সহায়তা করবে কৃষি বিভাগ। লাভজনক এ ফুল চাষের মাধ্যমে তেল জাতীয় ফসলে স্বয়ংসম্পূর্ন হবে দেশ এমনটাই প্রত্যাশা।