
জানা যায়, রবিবার বিকেলে উপজেলার নীলনগর গ্রামের মোমেন মিয়ার জালে একটি সাপ আটকা পড়েছে শুনে আলম সেখানে গিয়ে সাপটি ধরে বাচ্চাদের খেলা দেখানোর সময় সাপটি খামারি দুই হাতে কামড় দেয়। স্থায়ীররা উদ্ধার করে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার জিনদপুর বাজারে সার ও কীটনাশকের ব্যবসার পাশাপাশি তিনি সাপ ধরার কৌশল ও তন্ত্রমন্ত্র রপ্ত করেন বিভিন্ন মাধ্যম থেকে। সাতমোড়া ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও কাজেল্লা গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহীন কাজলের অর্থায়নে ৮শতাংশ জায়গায় গড়ে তোলেন সাপের খামার। বিভিন্ন লোকের কাছে তথ্য পেয়ে বিষাক্ত সাপ ধরে যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত সাপের খামারে রাখতেন তিনি। এভাবে তারা প্রায় শতাধিক সাপ সংগ্রহ করে ফেলে অল্প সময়েই।
এই বিষয়ে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা জানান, ঘটনাটি দুঃখজনক, সাপের খামার একটি লাভজনক ও বিপদজ্জনক কাজ, যথাযথ নিয়ম মেনে ও প্রশিক্ষণ নিয়ে তা করতে হয়। উনারা কতটুকু মেনে শুরু করেছে আমার জানা নেই ।