
স্থানীয় অটোরিক্সা ও সিএনজি সহ ট্রাক চালকরা জানান, আমারা এতোদিন এলাকার কিছু সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্বি ছিলাম। তারা আমাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে প্রতিদিন যানবাহন থেকে ৩০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতো। চাঁদা না দিলে আমাদের মারধর করতো। আমাদের অসংখ্য যানবাহন শ্রমিক তাদের হামলার শিকার হয়েছেন। বর্তমান সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল ভাই নির্বাচিত হওয়ার পর এই চাঁদাবাজি বন্ধ হয়েছে। এখন আর কোথাও আমাদের চাঁদা দিতে হয় না।
নবীনগর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহাবুব আলম লিটন, সাংবাদিক গৌরাঙ্গ দেবনাথ অপু, শাহিন রেজা টিটু সহ স্থানীয় সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকার সঙ্গবদ্ধ একদল সন্ত্রাসী উপজেলার সড়ক গুলোতে প্রতিনিয়ত এসব চাঁদা আদায় করতো। চাঁদা না দেওয়ায় অনেক যানবাহন শ্রমিক হামলার শিকার হতে দেখেছি আমরা। বর্তমান সাংসদ এই চাঁদাবাজিবন্ধ করায় আমরা অনেক খুশি হয়েছি।
নবীনগর পৌরসভার মেয়র এড. শিব শংকর দাস বলেন, সড়ক পথে দীর্ঘদিনের চিত্র ছিল এই চাঁদাবাজী।যা নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল ভায়ের নির্দেশে অবশেষে বন্ধ হয়েছে। আমরা আশাকরি পৌরসভার ট্যাক্সের বাইরে কেউ কোন চাঁদা দিবেন না।
নবীনগর থানার ওসি মাহাবুব আলম বলেন, যানবাহন সহ যে কোন বিষয়ে কেউ চাঁদা চাইলে আমাদের জানান। আমরা তাদের আইনের আওতায় আনবো। এলাকায় কোন প্রকার চাঁদাবাজী চলবে না।