
জানা যায়, ১৯৯৪ সালে পরিত্যাক্ত এই জায়গাটি সরকার থেকে লিজ এনে ভোগদখল করে দোকানপাট স্থাপন করে ব্যবসা করে আসছেন আশরাফ হোসেন নামে এক লিজ গ্রহিতা। অপরদিকে লঞ্চঘাটের সামনের ৮ শতক জায়গা নিজস্ব মালিকানা দাবী করে আদালতে মামলা করেন মৃত চাঁন মিয়া ও তার পরিবার। দীর্ঘ সময় এই জায়গা নিয়ে চলে পাল্টাপাল্টি মামলা। মঙ্গলবার চাঁন মিয়ার পরিবারের লোকজন ওই জায়গা আদালতের মামলার রায় নিয়ে দখল করতে গেলে, উচ্চ আদালতে আপিল করা আছে দাবী করে দখলে বাঁধা দেয় লিজ গ্রহিতারা।
এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করলে, নবীনগর পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ মাইনুউদ্দি আহম্মেদ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের সদস্য বোরহানউদ্দিন আহম্মেদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জানান, নবীনগর সদর বাজারের লঞ্চঘাটের সামনে এই ৮ শতক জায়গায় নবীনগর লঞ্চঘাটের শতবছরের পুরোনা রাস্তা ও নবীনগর শহর রক্ষা বাঁধ সহ জেলা পরিষদের ডাকবাংলো রয়েছে। এ বিষয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ করা হলো। এবং দ্রুতই বিষয়টি নিয়ে একটি মিমাংসা দেওয়া হবে।
এ কথা বলে তারা চলে আসার পরই একপক্ষ দোকানে তালা দিতে গেলে আরেক পক্ষের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।