
সরেজমিনে কহিনুর বেগমের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, শরীরে রডের বুঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করে চলেছেন দিনরাত কুহিনুর বেগম। ইতিমধ্যে তার বাবা-মা-কেউ বেঁচে নেই। একমাত্র ছোট একটি ভাই ছাড়া আপন বলতে কেউ নেই তার পৃথিবীতে। ঐ ছোট ভাই নিয়ে অন্যের বাড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করছেন সে।
স্থানীয়রা জানায়,পাঁচবছর আগে কহিনুরের শরীরে হঠাৎ হাড়ে সমস্যা দেখা দেয় এরপর দিনে দিনে তার শরীর ক্রমশেই অবনতি দেখা দিলে তার বাবা মো.কবির মিয়া ঢাকায় একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তার চিকিৎসা চলে এবং তখনি তার পিঠে অপারেশন করে রড স্থাপন করা হয়।
সে থেকেই রডের বুঝা বয়ে বেড়াচ্ছে। এছাড়া কহিনুর কে এলাকায় লৌহ মানব হিসেবে সবাই চিনে। কহিনুর বেগম উন্নত চিকিৎসা পেলে হয়তো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে এবং এলাকাবাসী সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।কহিনুর তার চিকিৎসার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।