The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

নবীনগরে মহিলা মাদ্রাসা থেকে ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

মিঠু সূত্রধর পলাশ : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ওই ছাত্রীর নাম আছমা আক্তার আমেনা (১১)। সোমবার রাতে সলিমগঞ্জ জান্নতুল ফেরদৌস মহিলা মাদরাসার হোস্টেলের সিঁড়ির রুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা ও সহকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা যায়, নিহত আমেনা পার্শ্ববর্তী বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের কাঞ্চণপুর গ্রামের প্রবাসী মুমিনুল হকের মেয়ে। তিনি তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে মাদরাসার হোস্টেলে থাকতেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ছাত্রীদের নিরাপত্তায় ব্যর্থতার দাবি করে মাদরাসার অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে মিছিল করে। তারা সুষ্টুু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের রাতেই মাদরাসার হোস্টেল থেকে বাড়িতে নিয়ে যায়। তারপর থেকে মাদরাসা বন্ধ রয়েছে।
নিহতের মা সেলিনা বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, ‘আমার মেয়ে আমেনা ফাঁসি দেয়নি, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।’

এ ব্যাপারে নবীনগর থানার ওসি রণজিত রায় বলেন, সোমবার মাগরিরের পর সংবাদ পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ ও সহকারী শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে বলা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

Exit mobile version