
আজ বুধবার সকালে ভবনের মালিক আওয়ামী লীগ নেতা কাউছার আলম শিবু ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘আমার তিন তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় আমি পরিবার নিয়ে থাকি। নিচতলা ও তৃতীয় তলায় ভাড়াটিয়ারা থাকেন। রাত ঠিক ১টার দিকে আগুন আগুন চিৎকার শুনে আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। পরে দেখি গেটে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে দোতলার দিকে উঠছে। সবার চিৎকারে আশপাশের মানুষজন এসে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই নিভিয়ে ফেলে। অগ্নিকান্ডে বাড়ির গেটসহ নিচতলায় থাকা ছয়টি বৈদ্যুতিক মিটারের পুড়ে যায়।
তিনি আরো জানান, গত ‘কয়েক মাস ধরে এলাকারই এক সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে আমি বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেছি। এজন্য সেই সন্ত্রাসীর নির্দেশেই আমাকে হত্যাসহ আমার বাড়িটি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। কেউ যে তাকে আগুন দিতে পাঠিয়েছে, সেটি আগুন দেওয়ার পর ওই দুর্বৃত্তের মোবাইলে ছবি তোলার দৃশ্য দেখেই পরিষ্কার বোঝা গেছে। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।তবে অভিযুক্তের নাম জানাতে চাননি। তিনি বলেন, পুলিশের কাছেই অভিযুক্তের নাম বলবো।
স্থানীয়রা জানান, ‘সিসি টিভির ফুটেজে বোঝা গেছে পেট্রল দিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি পরিকল্পিত। হয়তো কারও নির্দেশে ওই যুবক ভবনে আগুন দিয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নবীনগর পৌর মেয়র শিব শংকর দাসও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন নবীনগর থানা পুলিশকে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক তদন্তে বোঝা গেছে, বাড়িটিতে পেট্রল দিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে।তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।