
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামের ডেঙ্গাপাড়ার বাসিন্দা মৃত লিল মিয়ার ছেলে স্থানীয় লগ্নি ব্যবসায়ী (সুদের ব্যবসা) জাহাঙ্গীর মিয়া (৫০) কে গত ১৫ মে শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে কে বা কারা বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এর ঘণ্টাখানেক পরই পাশের কাদের গ্রামের বিলে ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তার বাড়িতে সংবাদ দেয় পথচারীরা। পরে আশংকাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে রাত দশটার দিকে হাসপাতালে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন পরদিন বাদী হয়ে নিহত জাহাঙ্গীরের ঘনিষ্ঠ একই গ্রামের মৃত দুদু মিয়ার ছেলে মোতালেব মিয়াকে (৫০) একমাত্র আসামি করে নবীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই রাতেই আসামি মোতালেবকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে আনে। কিন্তু তিনদিন রিমান্ডে থেকেও পুলিশকে হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত থাকার তেমন উল্লেখযোগ্য কোন তথ্য দেয়নি মোতালেব।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মো. মামুনূর রশীদ জানান,”হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার না করলেও, মোতালেব রিমান্ডে থাকা অবস্থায় যে সব তথ্য দিয়েছে, সেগুলো যাচাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে।”
নবীনগর সার্কেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মকবুল হোসেন বলেন,”পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করছে। আশা করছি, ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হত্যার রহস্য খুব শিগগিরই উদঘাটন হবে।