
জানা গেছে, সাংবাদিক গৌরাঙ্গ দেবনাথ অপু নবীনগর প্রেসক্লাবের পাশে থাকা সাংবাদিক মিঠুর ফার্ণিচার দোকানে বসে গল্প করছিলেন। এসময় আচমকা সীতানাথ সূত্রধর ও তার ছেলে সুভাষ সূত্রধরের নেতৃত্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গৌরাঙ্গ দেবনাথ অপুর ওপর লাঠেশোঠা নিয়ে হামলা চালায়। এসময় দোকান মালিক সাংবাদিক মিঠু সূত্রধর বাঁধা দিতে গেলে, সন্ত্রাসীরা তাকেও (মিঠু) মারধর করে। এসময় পুলিশকে খবর দেয়া হলে ওসি আমিনুর রশীদ নিজে ঘটনাস্থলে এসে সীতানাথ ও তাছেলে সুভাষসহ এজাহারভূক্ত চার আসামিকে থানায় ধরে নিয়ে যায়। সেখানে সুভাষ ওসির সঙ্গে তর্ক করায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে থানা হাজতে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
এ বিষয়ে সাংবাদিক গৌরাঙ্গ দেবনাথ অপু বলেন,’গত বছর সীতানাথ সূত্রধরের ত্রাণের তালিকার অনিয়ম ও দুর্ণীতি নিয়ে আমি কালের কণ্ঠ সহ ফেসবুক লেখালেখি ও টকশোতে কথা বলেছি বলে সীতানাথ আমার ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। গতবছরের ওই ঘটনার পর সীতানাথ এর জের ধরে দুইবার আমার ওপর হামলা করার চেষ্টা করে এবং পরে সামাজিক মীমাংসায় আমার কাছে মাফ চায়। কিন্তু আজকের হামলা কেন হলো, সেটি আমি জানিনা। এর পেছনে কারা সীতানাথকে শেল্টার দেয়, সেটি তদন্ত করে বের করার জন্য আমি পুলিশের কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ করছি। সাংবাদিক মিঠু সূত্রধর পলাশ বলেন,’আমার দোকানে বসে সাংবাদিক অপুদা দুপুরে গল্প করছিলেন। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই পরিকল্পিতভাবে অপুদার উপর এই সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। আমি বাঁধা দিলে আমাকেও মারধর করা হয়। এর কঠোর বিচার দাবি করছি।’ এ বিষয়ে সীতানাথ সূত্রধরের সঙ্গে বারবার কথা বলার চেষ্টা করেও তার মন্তব্য নেয়া যায়নি।
নবীনগর থানার ওসি আমিনূর রশীদ বলেন,’ঘটনার পরপরই পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছি। সীতানাথের ছেলেকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে সাংবাদিক অপুর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে সেটির ব্যবস্থা নেয়া হবে।”