
স্থানীয় সূত্র জানায়, হঠাৎ বখাটে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। বিকট শব্দে চারিদিকে আতঙ্কে দোকান ঘর বন্ধ করা শুরু করেন স্থানীয়রা। এ সময় রাব্বি নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য নবীনগর সরকারি হাসপাতালে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে দুই রাউন্ড গুলি পড়েছিল।
গুলিবিদ্ধ রাব্বি হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, একটি সালিশ সভায় তার বন্ধুর সঙ্গে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বের হওয়ার পর পর গুলির ঘটনা ঘটে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তিনি প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করতে পারেননি।
নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় গোলাগুলির ঘটনায় বুকে গুলিবিদ্ধ সাব্বিরকে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় হাসপাতালে রেফার করেছি।
এ বিষয়ে কথা বলতে নবীনগর থানার নবাগত ওসি রফিকুল ইসলাম কে একাধিকবার ফোন দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি। পরে এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ বলেন, গুলিবিদ্ধ এক যুবককে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ কাজ করছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ, গত ১ নভেম্বর নবীনগরের বড়িকান্দিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে রেস্টুরেন্টে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণে দুজন নিহত হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে র্যাব। এর আগে ২৪ অক্টোবর নবীনগরে মফিজুল রহমান মুকুল নামের সাবেক এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে আহত করা হয়।এখন পুর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।এছাড়াও নবীনগরের বালু মহলের অবৈধ অস্ত্রের মহড়া, প্রশাসনের নিরবতা। এসব ঘটনায় আতঙ্কিত উপজেলার সাধারণ মানুষ।