The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

নবীনগরে পৌর সদরের মাঝিকাড়ার নির্মাণাধীন সেতুর কাজ বাধার মুখে ১২ দিন ধরে বন্ধ

মিঠু সূত্রধর পলাশ, নবীনগর প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-কোম্পানীগঞ্জ সড়কের মাঝিকাড়ায় সওজের নির্মাণাধীন একটি সেতুর কাজ এলাকাবাসীর বাধার মুখে গত ১২ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সেতুটি সঠিক জায়গায় নির্মাণ না করায় বর্ষামৌসুমে সেতু সংলগ্ন বাড়িঘরগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, নবীনগর-কোম্পানীগঞ্জ সড়কের মাঝিকাড়ায় ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মাত্র ৬ মিটার দীর্ঘ প্রাচীন সেতুটির কার্যাদেশ পায় মেসার্স আমিনুল হক নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু করার কয়েকদিনের মধ্যেই নির্মাণ কাজে বাধা দেয় স্থানীয় মাঝিকাড়া গ্রামের লোকজন। ফলে গত ১২ দিন ধরে সেতুটির নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। বাধা প্রদানকারীদের অন্যতম ব্যক্তি হলেন মাঝিকাড়া গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় বিএনপি নেতা মাসুদ রানা। তিনি বলেন, ‘সেতুটি সঠিক জায়গায় নির্মাণ না করে দক্ষিণ দিকে প্রায় ৩০ ফুট ভেতরে এনে করা হচ্ছে। এতে বর্ষা মৌসুসে পানির তোড়ে সেতু সংলগ্ন বাড়িঘরগুলো প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আমরা কাজটি বন্ধ করে দিয়েছি।

কাজটির দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হলেন জালাল উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘কার্যাদেশ অনুযায়ী আমরা কাজটি শুরু করি। এখানে ৩০ ফুট আগে পিছে নিয়ে আমাদের কোনো লাভ নেই। বরং স্থানীয় কয়েকজন লোক নির্মাণ কাজে বাধা দিয়ে গত ১২ দিন ধরে কাজটি বন্ধ রাখেছে। আমাদের ৩০-৪০ জন লেবার বসে আছে। এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হোচ্ছি। সওজের সাব ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার বেজি রায় টুম্পা বলেন, ‘ছোট্ট একটি সেতু নির্মাণের কাজ ১২ দিন ধরে বন্ধ থাকাটা মোটেই ঠিক হয়নি। তবে জানতে পেরেছি, বিষয়টি স্থানীয় আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ স্যার অবগত হয়েছেন। এখন তিনিই এই সমস্যার সমাধান দিবেন।

স্থানীয় এমপি’র ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম নজু বলেন, ‘কাজটি আমরাই বন্ধ করিয়েছি। কারণ কাজটি সঠিক জায়গায় সঠিকভাবে করা হচ্ছে না। তাই আগামি শনিবার (৬/২) সকালে স্থানীয় সাংসদ সরজমিনে সেতুর জায়গা পরিদর্শন করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিবেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি ক্ষোভের সঙ্গে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘এটিতো একটি মজবুত ব্রিজ ছিল, যা আগামী ১০/১৫ বছর পর্যন্ত ভাঙার কোনো দরকার ছিল না। ব্রিজটি ভেঙে এখানে কারা ‘কালভার্ট’ করছে? আগে সেটি খোঁজে বের করুন।

Exit mobile version