
তবে বর্ষবরণের মূল স্থলটি ছিলো নবীনগর সদরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী স্থান আদালত বটমূল। এখানে স্থানীয় একাধিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বর্ষবরণের আয়োজন করে। এছাড়া নবীনগর সরকারি কলেজ, নবীনগর মহিলা কলেজ নবীনগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় , নবীনগর ইচ্ছাময়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণ সহ বিভিন্ন স্থানে বর্ষবরণের নানান জাকজমক আয়োজন করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে সকাল থেকেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষের সরব উপস্থিতি ছিল বেশ লক্ষণীয়।
তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের এক সময়ের সংস্কৃতি চর্চার প্রধান স্থান আদালত বটমূলের অধিকাংশ জায়গা লিজের মাধ্যমে দখল হয়ে যাওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে সংস্কৃতির তীর্থস্থান উপাধি পাওয়া এই আদালত চত্বরটি তার স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় কিছু সংস্কৃতিক কর্মীরা জানান, সংস্কৃতি চর্চার আদালত বটমূলে এখন আর সেখানে আগের চেহারা খুজে পাওয়া যায়না। সংশ্লিষ্ট কিছু অর্থলোভী মানুষের কারণে আজ আদালত চত্বরটি সংস্কৃতির তীর্থ স্থানের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের বাজারে পরিণত হয়েছে। এ যেন দেখার কেউ নেই।