
এসময় দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় এবং ধার্যকৃত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় বন্ধন বস্ত্রালয়কে দশ হাজার, বাবুল মিয়া তিন হাজার, নাছির মিয়া পাঁচ হাজার, নুরজাহান হোটেল দুই হাজার, সৈনিক হোটেল পাঁচ হাজার, ইসমাইল মুদি দোকান পাঁচ হাজার এবং মাছ ব্যবসায়ী গৌরাঙ্গ চন্দ্র বর্মনকে পাঁচশত টাকা টাকা জরিমানা করা হয়।
বাজার মনিটরিং টিমের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে প্রতিবারের ন্যায় এবারো মনিটরিং কমিটি মাঠ পর্যায়ে কাজ করবে। শুধু রমজানেই নয় আমাদের এই কার্যক্রম সব সময় অব্যাহত থাকবে।
এসময় নবীনগর থানা পুলিশ বাহিনীর সদস্যগণ মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহায়তা প্রদান করেন।