
সুত্র জানায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। গত সোমবার (২১/০৩) ওই ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে বলে সলিমগঞ্জ বাজারে ব্যবসা করতে হলে চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করতে হবে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে দোকান লুটপাটের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরদিন মঙ্গলবার (২২/০৩) গভীর রাতে গোদাম ঘরের সাটারের তালা ভেঙ্গে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মামলামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে প্রধান অভিযুক্ত মো. হানিফ মিয়া বলেন,চাঁদাবাজীর অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এটি একটি দোকান ভিটি মালিকানা নিয়ে হিন্দু সম্পদায়ের একজনের সাথে ভূমি অফিসে মামলা মোকদ্দমা চলছিল। যেহেতু অবিদ আমার গ্রামের লোক আমি মিডিয়া হিসাবে জমি সক্রান্ত বিষয়টি আপোষ মিমাংশার চেষ্ঠা করেছিলাম।
এ ব্যাপারে থানার ওসি আমিনুর রশিদ বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।