
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত আবুল কালাম শনিবার বিটঘর গ্রামের অলি মিয়ার বাড়িতে কাজ করতে যায়। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে মোবাইল চুরির অভিযোগ উঠে। এসময় পার্শ্ববর্তী জালাল মিয়ার বাড়িতে তাকে হাত পা বেঁধে অমানবিক ভাবে মারধর করা হয়। এই অপমান সহ্য করতে না পারে সে সকালে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার খোকন মিয়া বলেন, আবুল কালাম আমার বাড়ির পাশে একটি বাড়িতে দীর্ঘদিন যাবৎ ভাড়া থাকতেন। শুনেছি মোবাইল চুরির অপরাধে তাকে মারধর করা হয়েছে এবং সে আত্মহত্যা করেছে।
নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বলা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা ।