The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

নবীনগরে গুলি করে হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে যুবক রিফাত (২৫) হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনায় আরও এক এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৯ ও জেলা পুলিশের যৌথ দল।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামি হলেন নবীনগর উপজেলার কুলাশিং গ্রামের মৃত জানু মিয়ার ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (৩০)। তিনি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি।
র‌্যাব-৯ জানায়, গত ১৮ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯ সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং জেলা পুলিশের যৌথ আভিযানিক দল নবীনগর উপজেলার থোল্লাকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে নবীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলার এজাহার ও র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, নিহত রিফাত নবীনগর উপজেলার থোল্লাকান্দি এলাকার বাসিন্দা। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তার পরিবারের সঙ্গে প্রতিপক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৪ জুন রাত ৮টার দিকে আশিকুর রহমান ওরফে আশিক রিফাতকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে তাকে বাড়াইল দাশপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে একদল ব্যক্তি বাড়িটি ঘিরে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে রিফাত গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গুলিবিদ্ধ রিফাতকে ধারালো ও ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকার সুটকি কান্দি জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন মেঘনা নদীর বালুচরে ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে করিমপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সহায়তায় নিহতের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে ১৮ জুন নবীনগর থানায় হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন।
র‌্যাব-৯ জানায়, মামলার পর থেকে তারা ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে আসছিল। সেই ধারাবাহিকতায় যৌথ অভিযানে উজ্জ্বল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র‌্যাব আরও জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Exit mobile version