
পুলিশ জানিয়েছে, স্বপ্না আক্তার খুনের ঘটনায় তাঁর ভাই আমীর হোসেন দায়ের করা মামলায় উপজেলার চারপাড়া গ্রামের আবু সাঈদকে আসামী করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তিনি জামিনে ছাড়া পান।গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
গত বছরর ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় খুন হন আওয়ামী নেত্রী স্বপ্না আক্তার। চারপাড়া গ্রামের লিল মিয়ার মেয়ে স্বপ্না আওয়ামী লীগের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাবার বাড়িতে ফেরার পথে খুন হন। আনোয়ার হোসেন নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম সিকদার জানান, লাউর ফতেহপুর গ্রামের ফরিদ মিয়ার বাড়িতে ঢুকার পর সাঈদকে আটক করা হয়। এ সময় সে ওই বাড়ির এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করে। এ অবস্থায় বাড়ির লোকজন চিৎকার শুরু করেন। পরে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে সাঈদকে গণধোলাই দেয়।
তিনি আরো জানান, স্বপ্না আক্তার হত্যা মামলায় সাঈদ সন্দেহভাজন আসামী ছিলেন। এলাকায় সে কুখ্যাত চোর হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে। গণপিটুনিতে মারা যাওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।