
এব্যাপারে জিনোদপুর স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম সাদেক জানান, স্কুলে আড়াইশো জেডিসি শিক্ষার্থী আছে। তাদের কাছ থেকে মৌখিক পরীক্ষা বাবত অতিরিক্ত ২০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। তবে এই অর্থ তিনি ফেরত দিবেন বলে জানান সাংবাদিকদের। এসএসসি পরীক্ষার অর্থ আদায় প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম সাদেক জানান, মার্চ মাস পর্যন্ত বেতন আদায় করেছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মোকারম হোসেন জানান, বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন আদায় করতে পারবে। কোন স্কুল যদি মার্চ মাস পর্যন্ত বেতন আদায় করে থাকে এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। তবে মৌখিক পরীক্ষার নামে যে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে, ইতি মধ্যে তা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়াও এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সহ উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে অবগত করার কথাও জানান এই শিক্ষা কর্মকর্তা ।