
জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগের মনোনয়ন চান একাধিক প্রার্থী। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী একাধীকবার কারা নির্যাতিত এই নেতা। সে লক্ষ্যেই জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ইতোমধ্যে সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে ভোটারদের মাঝে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি ।
রাজনৈতিক জীবনে শুরুতে শফিকুল ইসলাম ১৯৮৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল দির্ঘ ৩৫ বছর সক্রীয় ভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাথে থেকেছেন। তিনি সংসার ধর্ম ও কর্মময় জীবনকে উপেক্ষা করে নবীনগর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি। এর পর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে ৯০ এর স্বৈরাশাসক বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে যেয়ে একাধীকবার প্রতিপক্ষের আঘাতে জীবন মৃত্যুর সন্ধীক্ষনে গিয়েও মানুষের ভালোবাসায় ফিরে এসেছেন। এরপর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রথমবার নবীনগরের ২১টি ইউনিয়নের কমিটি গঠন করে তৃণমূলে যুবলীগকে শক্তিশালি করেছেন। পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক হিসেবেও নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন। বর্তমানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে একান্ত ভাবে নিষ্ঠার সাথে সংগঠনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী পরীক্ষিত নেতা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন,সংসার ধর্ম ও কর্মময় জীবনকে উপেক্ষ করে দির্ঘ ৩৫টি বছর সক্রীয় ভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে জনগনের সাথে রাজ পথে আছি। এমতাবস্থায় আমি সকলের কাছে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য একান্ত দোয়া ও সহযোগীতা কামনা করি।
দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় নৌকার জয় নিশ্চিত করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করব। সুযোগ পেলে এই উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব।