
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের গোপালপুর মৌজার আইতলা ও সাদেকপুর গ্রামের মেঘনা নদীর তীরে ২১ শতক ভূমিতে অবস্থিত স্থানীয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের ঐতিহ্যবাহী পুরাতন এই শ্বশানটি।
বহু দিন যাবত এ শ্বশানটির ভূমির সীমানা চিহ্নিত না থাকার কারনে আশে পাশের জমির মালিকগন দিনকে দিন শ্বশানের জমির ভিতরে ঢুকে পড়ছিলো। এতে করে ক্রমশই শ্বশানের সীমানা ছোট হয়ে আসছিলো।
স্থানীয় শ্বশান কমিটি এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দরখাস্ত প্রদান করলে,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম বিষয়টির উপর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে শ্বশান কমিটির সভাপতি ভূবন চন্দ্র বর্মন জানান,এলাকার প্রভাবশালীদের কারনে আমরা আমাদের নিজেদের শ্বশান টিকিয়ে রাখতে পারবো কিনা তা নিয়ে শংকায় ছিলাম। আমাদের ইউএনও স্যারের মহত প্রদক্ষেপে সীমানা চিহ্নত হওয়ার অবশেষে শ্বশানটি দখলের হাত থেকে রক্ষা পেলো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম বলেন, আমি যা করেছি সেটা আমার কর্তব্য।এছাড়াও শ্বশানটির উন্নয়নের জন্য সরকারি কোনো বাজেট আসলে তারা চাইলে আমি এ বিষয়ে সহযোগীতা করবো।
এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ শ্বশানটিকে দখলের হাত থেকে রক্ষা করায় উপজেলা প্রশাসনের প্রসংশা করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।