
স্থানীয়রা জানান, কানন মিয়া তার আপন বিধবা ভাবী মরিয়ম বেগমের সহায় সম্পত্তি জালিয়াতির মাধ্যমে দলিল করে দখল করে নেওয়ার পর, তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে সোমবার সন্ধ্যায় এক রক্ষিতা নারীর সহায়তায় তার ভাবিকে শারীরিক নির্যাতন করে। এসময় বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী টের পেয়ে কানন ও তার রক্ষিতাকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করলে তুপের মুখে নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে বাচে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ওই রক্ষিতা ওই নারী ও লম্পট কানন মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় বিধবা মরিয়ম বেগকে নবীনগর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, লম্পট কানন প্রভাশালী হওয়া গ্রামের মানুষ তাকে কিছু বলতে পারেনা। তাছাড়া এক বিবাহিতা নারীকে ফুসলিয়ে স্বামীর বাড়ি ছাড়া করে লম্পট কানন মিয়া তার রক্ষিতা হিসেবে ব্যবহার করে আসছে র্দীঘদিন যাবত।
এব্যাপারে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) রনোজিত রায় জানান,সন্ধ্যায় খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীর তুপের মুখ থেকে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।