
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্র জানায়, গ্রামের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ওই দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। তারই জের ধরে বাড়ির বাউন্ডারী ওয়াল নির্মানের জন্য চাঁদা ও সুন্নতে খতনা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বুধবার বিবাদমান দুই গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংর্ঘষে জড়িয়ে পড়ে।
নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চিত্ত রঞ্জন পাল, অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) আসলাম সিকদার ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে অতিরিক্ত এক প্লাটুন দাংগা পুলিশ এনে এলাকায় মোতায়ন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ আসলাম সিকদার বলেন, গুলিছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়, পুরো গ্রাম এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রনে, এলাকায় পর্যাপ্ত ফোর্স মোতায়েন রয়েছে।